জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আজ (২০ নভেম্বর ২০২৫) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মানবিক, বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
🔔 গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা:
অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ২৩ নভেম্বর ২০২৫ (বিকাল ৪টা) থেকে শুরু হবে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ (রাত ১২টা) পর্যন্ত চলবে।
এই পোস্টে আপনি পাবেন:
✅ আবেদনের যোগ্যতা (SSC ও HSC জিপিএ)
✅ ভর্তি পরীক্ষার নম্বর বন্টন (৪০/৬০ নিয়ম)
✅ মেধা তালিকা প্রণয়ন পদ্ধতি
✅ ধাপে ধাপে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
✅ দ্বৈত ভর্তির বিশেষ সতর্কতা

বাংলাদেশের সকল স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড ও মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নিচের যোগ্যতা সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন:

📌 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
যোগ্যতা:
আবেদন পদ্ধতি:
অনলাইনে আবেদন না করে সরাসরি ডিন, স্নাতক(প্রাক) শিক্ষা বিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর আবেদন পাঠাতে হবে।
ই-মেইল: adm.hons@nu.ac.bd
বাংলাদেশের স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সমতা নিরূপণ করা থাকলে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া O-Level শিক্ষার্থীদের মতো একই।
এই সেকশনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে নম্বর বন্টন এবং মেধাক্রম নির্ধারণের জটিল নিয়মগুলো সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: MCQ পরীক্ষায় ৩৫ নম্বর পাস করতে না পারলে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে না।
আপনার মোট নম্বর হবে ২০০। এই ২০০ নম্বর দুই ভাগে বিভক্ত:
ফর্মুলা:
উদাহরণ ১:
হিসাব:
উদাহরণ ২:
হিসাব:
MCQ পরীক্ষায় আপনার প্রাপ্ত নম্বর সরাসরি যোগ হবে।
উদাহরণ:
যদি আপনি MCQ পরীক্ষায় ৭০ নম্বর পান, তাহলে সেটি সরাসরি ৭০ নম্বর হিসেবে গণনা হবে।
মোট নম্বর = জিপিএ থেকে ১০০ + MCQ পরীক্ষা থেকে ১০০ = ২০০ নম্বর
উদাহরণ (সম্পূর্ণ হিসাব):
এই ১১৮ নম্বরের ভিত্তিতে আপনার মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

একই কলেজে একই বিষয়ে দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর মেধাস্কোর সমান হলে নিচের ক্রমানুসারে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে:
১ম অগ্রাধিকার:
ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর যার বেশি
২য় অগ্রাধিকার:
SSC জিপিএ থেকে ৪০% + HSC জিপিএ থেকে ৬০% (৪র্থ বিষয় ছাড়া) যার বেশি
৩য় অগ্রাধিকার:
SSC নম্বরের ৪০% + HSC নম্বরের ৬০% (৪র্থ বিষয়সহ) যার বেশি
৪র্থ অগ্রাধিকার:
যার বয়স কম
ওয়েবসাইট: www.nu.ac.bd/admissions
প্রয়োজনীয় তথ্য:
একইভাবে HSC তথ্য:
মোবাইল নম্বর:
ডাটাবেসে সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী আপনার Gender প্রদর্শিত হবে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ:
এই পর্যায়ে আপনি আপনার ভর্তি যোগ্য (Eligible) বিষয়ের তালিকা দেখতে পাবেন।
করণীয়:
📌 মনে রাখবেন:
পরবর্তীতে এই পছন্দক্রম অনুসারেই মেধার ভিত্তিতে বিষয় বরাদ্দ দেওয়া হবে।
যদি আপনি কোনো কোটায় আবেদন করতে চান, তাহলে নির্দিষ্ট স্থানে সিলেক্ট করুন:
উপলব্ধ কোটা:
⚠️ দ্রষ্টব্য:
কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত মূল সনদপত্র থাকতে হবে।
ছবির মাপ:
⚠️ সতর্কতা:
আবেদনকারীর ছবি ব্যতীত অন্য কোনো ছবি আপলোড করলে আবেদন বাতিল হবে।
সকল তথ্য যাচাই করে "Submit Application" ক্লিক করুন।
এই পর্যায়ে আপনার:
প্রদর্শিত হবে। এগুলো সংরক্ষণ করুন।
ফরমটি A4 সাইজ কাগজে প্রিন্ট বা PDF সংরক্ষণ করুন।
ফরমে ভুল থাকলে:
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ:
আপনি শুধুমাত্র একবার ফরম বাতিল করতে পারবেন। কলেজে ফরম জমা দেওয়ার পর সংশোধন সম্ভব নয়।
প্রিন্ট করা ফরম এবং ১,০০০ টাকা ফি নিয়ে ২৪ নভেম্বর থেকে ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ এর মধ্যে আপনার নির্বাচিত কলেজে জমা দিন।
মোট ফি: ১,০০০ টাকা (এক হাজার টাকা)

পেমেন্ট পদ্ধতি:
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
যদি আপনি ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে নিচের যেকোনো কোর্সে বর্তমানে ভর্তি থাকেন:
তাহলে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তি হতে পারবেন না।
সমাধান:
অনার্স ভর্তি হতে চাইলে অবশ্যই পূর্ববর্তী ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বাতিল করতে হবে।
দ্বৈত ভর্তির পরিণাম:
একই শিক্ষাবর্ষে বা দুইটি ভিন্ন শিক্ষাবর্ষে দ্বৈত ভর্তি হলে উভয় ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।
কখন ডাউনলোড করবেন:
ভর্তি পরীক্ষার ৭ দিন পূর্বে
ডাউনলোড পদ্ধতি:
প্রবেশপত্রে থাকবে:
বাধ্যতামূলক:
নিষিদ্ধ বস্তু:
অনলাইনে:
www.nu.ac.bd/admissions
SMS এর মাধ্যমে:
nu <space> athn <space> Application ID পাঠাতে হবে: 16222
ভর্তির পর রেজিস্ট্রেশনের সময় নিচের ফি জমা দিতে হবে:

এছাড়াও কলেজ নির্ধারিত কলেজ ফি আলাদাভাবে জমা দিতে হবে।
হ্যাঁ। আপনি বিভিন্ন বিভাগ ও জেলার বিভিন্ন কলেজে বিষয়ের পছন্দক্রম দিতে পারবেন। তবে মেধাক্রম ও আসন অনুযায়ী শুধুমাত্র একটি কলেজে একটি বিষয়ে আপনাকে বরাদ্দ দেওয়া হবে।
যদি আপনি MCQ পরীক্ষায় ৩৫ নম্বরের কম পান, তাহলে আপনার মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে না। অর্থাৎ আপনি ভর্তির জন্য অযোগ্য হবেন।
হ্যাঁ, তবে শুধুমাত্র একবার। কলেজে ফরম জমা দেওয়ার আগে OTP নিয়ে ফরম বাতিল করতে পারবেন। কলেজে ফরম নিশ্চয়ন হওয়ার পর আর বাতিল করা যাবে না।
আপনাকে অনলাইন টুল ব্যবহার করে ছবি Compress করতে হবে। www.compressjpeg.com বা অনুরূপ ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।
হ্যাঁ। কোটার মেধা তালিকা আলাদাভাবে প্রণয়ন করা হয়। তবে আপনাকে অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে (৩৫+ নম্বর)।
না। আপনাকে প্রথমে ডিগ্রি ভর্তি বাতিল করতে হবে। দ্বৈত ভর্তি হলে উভয় রেজিস্ট্রেশন বাতিল হবে।
১ম ও ২য় মেধা তালিকায় যারা স্থান পাবেন না বা ভর্তি বাতিল করবেন, তারা রিলিজ স্লিপে পাঁচটি কলেজে আলাদাভাবে বিষয়ের পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।
⚠️ দ্রষ্টব্য:
যারা ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তারা রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবেন না।
আপনাকে অনলাইনে আবেদন না করে সরাসরি ই-মেইল বা ডাকযোগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পাঠাতে হবে। বিস্তারিত উপরে "বিশেষ ক্যাটাগরির শিক্ষার্থী" সেকশনে দেওয়া আছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তি একটি প্রতিযোগিতামূলক ও সুসংগঠিত প্রক্রিয়া। এই গাইডে আমরা সকল জটিল নিয়মাবলী সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেছি যাতে আপনি কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।
আপনার করণীয় (চেকলিস্ট):
সকল আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা! আপনার স্বপ্নের কলেজ ও বিষয়ে ভর্তি হোক। 🎓📚
আরও আপডেট ও শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন: nunoticeboard.com
গুরুত্বপূর্ণ লিংক:
ভর্তি ওয়েবসাইট: www.nu.ac.bd/admissions
ই-মেইল: adm.hons@nu.ac.bd
ফোন: ০২-৯৯৬৬৯১৫৮৪
শুভ হোক আপনার উচ্চশিক্ষার যাত্রা! ✨🎯